কম দামের মধ্যে সেরা ৫ টি বাজেট ল্যাপটপ! ল্যাপটপ কিনতে প্রয়োজনীয় পরামর্শ

ল্যাপটপ এর কথা যখন আসে তখন’ই সর্ব প্রথম মাথায় আশে ফ্রিলান্সার, স্টুডেন্টস অথবা অফিস ওয়ার্কারসদের কথা। অনেক সময় আমরা নতুন ল্যাপটপ নেয়ার ক্ষেত্রে কনফিউজড থাকি যে কনটা নেয়া ঠিক হবে।

আমার অফিসের কাজ গুলা ঠিক মত করা যাবে কি?ক্লাস চলাকালীন অথবা মিটিং চলা কালীন সময় বন্ধ হয়ে যাবে না তো। আমার প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার গুলো চালাতে প্রবলেম করবে না তো। ফিউচার এ উপগ্রেড করা যাবে কি না? অনেকই হয়তো বলতে পারেন যে ৫০,০০০ টাকা দিয়ে ল্যাপটপ না কিনে ডেক্সটপ কিনা তা বেটার অপশন। কিন্তু আমাদের কে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে ল্যাপটপ সিলেক্ট করার কারণ ল্যাপটপ এর পরটাবালিটি। আপনি ভার্সিটি বা অফিসে ডেক্সটপ তো আর নিয়ে যেতে পারবেন নাহ।

আর যদি আপনার প্ল্যান থাকে যে আপনি বিছানার ঠিক পাশেই আপনার ডেক্সটপ রাখবেন, যেন শুয়ে শুয়ে কাজ করা যায়। তাহলে বলে রাখি আপনার থেকে বড় সাইকো এই দুনিয়াতে আর একটাও নাই।

তো আজকে এই বিসয়ে কথা বলব এবং এটি জানিয়ে দিব যে ৫০,০০০ টাকার ভিতর কোন ল্যাপটপট টি হতে পারে আপনার জন্য বেস্ট।

1. Walton PASSION BX5800

ওয়ালটন বাজেট ল্যাপটপ
WALTON PASSION BX5800
  • প্রাইস- ৫১৫০০
  • অপারেটিং সিস্টেম- উইন্ডোজ ১০
  • ডিসপ্লে- ৩৫.৫৬সে.মি (১৪.০”) (১৩৬৬x৭৬৮) ম্যাট এলইডি ব্যাকলিট ডিসপ্লে।
  • প্রসেসর- ইন্টেল কোর আই৫-৮২৫০ইউ (৬ এম্বি ক্যাশ,১.৬০ গিগা উপ টু ৩.৪০ গিগা)
  • মেমোরি- ৮ জিবি ডুয়াল চ্যানেল ডিডিআর৪ রেম
  • স্টোরেজ- ১ টিবি এইচডিডি,৫৪০০ আরপিএম
  • গ্রাফিক্স- ইন্টেল ইউএইচডি ৬২০ গ্রাফিক্স
  • ব্যাটারি- ৪ সেল স্মার্ট লিথিয়াম-আইওএন,৩১ওয়াট/ঘণ্টা
  • চার্জার- ফুল্ল রেঞ্জ এসি আডাপ্টার,এসি ইন ১০০ ~ ২৪০ভোল্ট,ডিসি অউটপুট ১৯ ভোল্ট ২.১আম্প,৪০ ওয়াট
  • ওজন- ১.৯৭ কেজি
  • কালার- ব্ল্যাক
  • ওয়ারেন্টি- ১ বছর

আপনারা চাইলে অনলাইনের মাধ্যমে ওয়ালটনের ল্যাপটপ কিনতে পারেন ওয়ালটন অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে।

2. Acer Aspire 5 A515-55

ল্যাপটপ কেনার জন্য পরামর্শ
ACER ASPIRE 5 A515-55
  • প্রাইস- ৪৯৫০০ (BDT)
  • অপারেটিং সিস্টেম- উইন্ডোজ ১০
  • ডিসপ্লে- (১৫.৬”) (১৯২০x১০৮০) আইপিএস,এলইডি ব্যাকলিট ডিসপ্লে
  • প্রসেসর- ইন্টেল কোর আই৩-১০০৫জি১ (৪ এম্বি ক্যাশ,১.২০ গিগা উপ টু ৩.৪০ গিগা)
  • মেমোরি- ৪ জিবি সিঙ্গেল চ্যানেল ডিডিআর৪ রেম
  • স্টোরেজ- ১ টিবি এইচডিডি
  • গ্রাফিক্স- ইন্টেল ইউএইচডি গ্রাফিক্স
  • ব্যাটারি- ৩ সেল লিথিয়াম-আইওএন
  • চার্জার- ৪৫ ওয়াট এসি আডাপ্টার
  • ওজন- ১.৯০ কেজি
  • কালার- সিলভার
  • ওয়ারেন্টি- ২ বছর

3. ASUS X512JA

কম দামে আসুস ল্যাপটপ
ASUS X512JA
  • প্রাইস- ৪৯৫০০
  • অপারেটিং সিস্টেম- উইন্ডোজ ১০
  • ডিসপ্লে- (১৫.৬”) (১৬:৯) (১৯২০x১০৮০) এন্টি গ্লের প্যানেল,এফএইচডি ব্যাকলিট ডিসপ্লে
  • প্রসেসর- ইন্টেল কোর আই৩-১০০৫জি১ (৪ এম্বি ক্যাশ,১.২০ গিগা উপ টু ৩.৪০ গিগা)
  • মেমোরি- ৪ জিবি সিঙ্গেল চ্যানেল ডিডিআর৪ ২৬৬৬মেগাহারটজ এসডিরেম
  • স্টোরেজ- ১ টিবি এইচডিডি,৫৪০০ আরপিএম
  • গ্রাফিক্স- ইন্টেল ইউএইচডি গ্রাফিক্স
  • ব্যাটারি- ২ সেল পলিমার,৩২ওয়াট/ঘণ্টা
  • চার্জার- ফুল্ল রেঞ্জ এসি আডাপ্টার,এসি ইন ১০০ ~ ২৪০ভোল্ট,ডিসি অউটপুট ১৯ ভোল্ট ২.৩৭আম্প,৪৫ ওয়াট
  • ওজন- ১.৭ কেজি (ব্যাটারি সহ)
  • কালার- স্লেট গ্রেয়
  • ওয়ারেন্টি- ২ বছর

4. HP 15s-DU2061TU

এইচপি ল্যাপটপ কিনার পরামর্শ
HP 15S-DU2061TU
  • প্রাইস- ৪৮,০০০
  • অপারেটিং সিস্টেম- উইন্ডোজ ১০ হোম
  • ডিসপ্লে- (১৫.৬”) (১৬:৯) (১৯২০x১০৮০) ডায়াগনাল,এন্টি গ্লের প্যানেল,এফএইচডি ব্যাকলিট ডিসপ্লে
  • প্রসেসর- ইন্টেল কোর আই৩-১০১১০ইউ (৪ এম্বি ক্যাশ,২.১ গিগা উপ টু ৪.১ গিগা)
  • মেমোরি- ৪ জিবি সিঙ্গেল চ্যানেল ডিডিআর৪ রেম
  • স্টোরেজ- ১ টিবি এইচডিডি,৫৪০০ আরপিএম
  • গ্রাফিক্স- ইন্টেল ইউএইচডি গ্রাফিক্স
  • ব্যাটারি- ৩ সেল লিথিয়াম-আইওএন,৪১ওয়াট/ঘণ্টা
  • চার্জার- ৪৫ ওয়াট স্মার্ট এসি পাওয়ার আডাপ্টার
  • ওজন- ১.৭৪ কেজি
  • কালার- সিলভার
  • ওয়ারেন্টি- ২ বছর

5. Dell Latitude 3510

DELL LATITUDE 3510
DELL LATITUDE 3510
  • প্রাইস- ৫০,৫০০ (BDT)
  • অপারেটিং সিস্টেম- ফ্রী ডিওএস
  • ডিসপ্লে- (১৫.৬”) (১৩৬৬x৭৬৮) এন্টি গ্লের প্যানেল,এইচডি ব্যাকলিট ডিসপ্লে
  • প্রসেসর- ইন্টেল কোর আই ৩-১০১১০ ইউ (৪ এম্বি ক্যাশ, ২.১০ গিগা উপ টু ৪.১০ গিগা)
  • মেমোরি- ৪ জিবি সিঙ্গেল চ্যানেল ডিডি আর ৪ রেম
  • স্টোরেজ- ২৫৬ জিবি এসএসডি
  • গ্রাফিক্স- ইন্টেল ইউএইচডি গ্রাফিক্স
  • ব্যাটারি- ৪ সেল লিথিয়াম-আইওএন, ৫৩ ওয়াট/ঘণ্টা (এক্সপ্রেস চার্জ সাপোর্ট করে)
  • চার্জার- ৬৫ ওয়াট এসি পাওয়ার আডাপ্টার
  • ওজন- ১.৯ কেজি
  • কালার- ব্ল্যাক
  • ওয়ারেন্টি- ৩ বছর

ল্যাপটপ কিনতে গেলে যে বিষয় গুলো মাথায় রাখবেনঃ

  • ল্যাপটপ এর ব্যাটারি কতক্ষণ ব্যাকআপ দেয়।
  • আপনি যে সফটওয়্যার গুলো চালাতে চাচ্ছেন সেগুলোর জন্য পর্যাপ্ত পরিমান র‍্যাম আছে কিনা।
  • ল্যাপটপ এর স্টোরেজ আপনার জন্য পর্যাপ্ত পরিমান কিনা।
  • ল্যাপটপ এর ইন্টারনাল স্টোরেজ এসএসডি নাকি এইচডিডি।
  • পর্যাপ্ত পরিমাণে পোর্ট আছে কিনা।
  • প্রয়োজন হলে দেখতে পারেন নেটওয়ার্ক কেমন, মানে ওয়াইফাই ৬ আছে কিনা।
  • ফিউচার এ প্রয়োজন হলে আপগ্রেড করা যাবে কিনা।
  • ওয়েবক্যাম এবং সাউন্ড, মাইক্রোফোন কেমন।
  • কীবোর্ড এ লাইট এবং ডিসপ্লে এর ব্রাটনেস কেমন।
  • র‍্যাম এর গতি পর্যাপ্ত রয়েছে কিনা।
  • স্ক্রীন কেমন, এর রেজুলেশন ও পিকচার কোয়ালিটি কেমন।
  • প্রসেসর এবং জেনারেশন টা দেখে নিবেন।

১. ল্যাপটপ এর ব্যাটারি ব্যাকআপঃ


ল্যাপটপ এর ব্যাটারি মূলত সেল, কোন মেটারিয়াল দিয়ে তৈরি আর কত ওয়াট/ ঘণ্টা এগুলোর উপর ডিপেন্ড করে। আপনার ব্যাকআপ যদি বেশি সময়ের জন্য প্রয়োজন হয় তাহলে আপনি বেশি ক্যাপাসিটি
ওয়ালা ব্যাটারি নিবেন আর যদি কাজ সেরে বন্ধ করে দেন তাহলে কম। কারন ব্যাটারির উপরও আপনার ল্যাপটপ এর দাম নির্ভর করে।

২. ল্যাপটপ এর র‍্যামঃ

ধরেন আপনি ৪ জিবি যুক্ত একটি ল্যাপটপ কিনে আনলেন। এখন যদি আপনার ফটোশপ এ কাজ করার প্রয়োজন পরে, আপনি ফটোশপ ইন্সটল ও করলেন। কাজ করতে গিয়ে দেখলেন আপনার ল্যাপটপটি স্লও হয়ে যাচ্ছে। রেন্ডার হতে অনেক সময় লাগছে।

এ ধরনের প্রবলেমে না পরতে চাইলে আপনি যে সফটওয়্যার গুলো ইউস করতে চাচ্ছেন সেগুলোর রিকোমেন্ডেড কনফিগারেশন বা কত টুকু র‍্যাম, স্টোরেজ বা কি প্রসেসর হলে ভাল ভাবে রান করবে তা দেখে তারপর আপনার ল্যাপটপ সিলেক্ট করুন।

শুধু মাত্র র‍্যাম এর পরিমানই সব কিছু না। র‍্যামের মাঝে রয়েছে আবার বিভিন্ন কোয়ালিটি যেমন ডিডিআর ৩, ডিডিআর ৪ ইত্যাদি। আবার আপনার প্রসেসর ও গ্রাফিকস এর সাথেও র‍্যামের একটা সামঞ্জস্য রাখতে হবে। অর্থাৎ, আপনার প্রসেসর একদম দূর্বল কিন্তু র‍্যাম লাগাইছেন ১২ জিবি এতে বেশি একটা লাভবান হওয়া যাবে না।

৩. ল্যাপটপ এর স্টোরেজঃ

এই বিষয়ে আমার মতামত থাকবে সবসময় সতর্ক থাকার। কারন অনেকই বলে এটা যার যার প্রয়োজন অনুযায়ী কিন্তু আপনি সব সময় দেখে নিবেন। কারন আপনার অতিরিক্ত স্টোরেজ প্রয়োজন না হলেও দেখবেন যে ব্যবহারের এক পর্যায়ে প্রয়োজন পরছে৷ যদিও স্টোরেজ খুব সহজেই বাড়ানো বা পরিবর্তন করা যায়।

একটা ল্যাপটপ এর এসএসডি যদি ১২০ জিবি হয়
তাহলে তার মধ্যে প্রায় ২০ জিবির মত ধরেন আপনার উইন্ডোজ এর জন্য চলে যাবে। আর বাকি থাকে ১০০ জিবি যার মধ্যে পুরো ১০০ জিবি আপনি ব্যাবহার করতে পারবেন নাকি তা নিয়ে আমার সন্ধেও আছে।
তাই চেষ্টা করবেন আপনার ল্যাপটপ এর স্টোরেজ যেন একটু বেশি হয়, মিনিমাম ২৫০ জিবি।

৪. এসএসডি নাকি এইচএসডিঃ


এ বিষয়টা নিয়ে আমাদের সবারই জানা থাকার দরকার বলে আমি মনে করি। কারন ল্যাপটপ কেনার সময় সকলেই কনফউশনে থাকেন যে আপনার ল্যাপটপ এর স্টোরেজ এর জন্য আপনি এসএসডি হার্ডডিস্ক নিবেন নাকি এইসএসডি।

আপনার ল্যাপটপ এর স্টোরেজ যদি এইচডিডি হয় তাহলে স্পীড অনেক কম হবে সোজা কথায়। আর যদি এসএসডি হয় তাহলে তো কোনো কথাই নেই৷ অনেক ভাল স্পীড পাবেন। এসএসডি নেয়ার সময় আপনি কনফিউসান এ পরতে পারেন কারণ এস এস ডি অনেক রকম এর হয়ে থাকে। যেমন সাটা এস এস ডি, এম.2 এসএসডি আর এনভিএমই এসএসডি।

এখানে কনফিউসড হওয়ার মত কিছু নেই, সব গুলাই এসএসডি। ডিফারেন্স হচ্ছে একটার থেকে আরেকটার স্পীড বেশি। চেস্টা করবেন কম করে হলেও সাটা এসএসডি নেয়ার জন্য। আর আমার মতামত হলো ল্যাপটপে এইচ ডি ডির পাশাপাশি শুধু উইন্ডোজ ও অ্যাপ গুলো ইন্সটল এর জন্য একটা ১২০ জিবি এস এস ডি লাগাই নিবেন।

৫. ল্যাপটপ এ পর্যাপ্ত পোর্টঃ

পর্যাপ্ত পরিমাণে পোর্ট বলতে তক বুঝেই গেছেন যে ইথারনেট পোর্ট, ইউএসবি, এইচডি এম আই, অডিও ইত্যাদি পোর্ট এর কথা বলছি। আর বর্তমানের প্রায় সকল ল্যাপটপ এই ব্যবহারকারীর প্রয়োজনের কথা ভেবে পর্যাপ্ত পরিমানে পোর্ট দেওয়া থাকে।

এখন আপনার প্রশ্ন থাকতে পারে যে এখানে আবার দেখে কিনার কি আছে! ফর ইয়উর ক্যাইন্ড ইনফরমেশন এটা এত পরিমাণে জরুরি যে আপনি ফেস করার আগ পর্যন্ত বুঝে উঠতে পারবেন নাহ।

ধরেন আপনি আপনার ল্যাপটপ এর ১টি ইউএসবি পোর্ট আছে যেখানে আপনি একটি ওয়ারলেস
মাউস ব্যাবহার করছেন, এই মুহূর্তে আপনার আবার আপনার মোবাইল থেকে আপনার ল্যাপটপ এ একটি ফাইল ট্রান্সফার করার দরকার আবার আপনি মাউস ছাড়া ব্যাবহার ও করতে চাচ্ছেন নাহ।

অথবা আপনার আরও ২ টা ডিভাইস কানেক্ট করার দরকার কিন্তু আপনার ইউএসবি পোর্ট আছে মাত্র একটি। তাই আপনার ল্যাপটপ এর কি কি পোর্ট আছে এবং কোন পোর্ট এ আপনি কি সুবিধা পাচ্ছেন তা দেখে কিনুন। এছাড়া পোর্ট এর পাশাপাশি ইউএসবি ভার্শন টাও দেখে নিতে হবে।

৬. ল্যাপটপ এর নেটওয়ার্কঃ

বর্তমান সময়ে ইন্টেরনেট ব্যাবহার করে না এইরকম মানুষের সংখ্যা অনেক কম। আর আপনি ল্যাপটপ ইউজার হয়ে থাকলে তো অবশ্যই ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন। আর দ্রুত গতির ইন্টারনেট যে আপনার লাইফ এর সাথে সাথে আপনার ইন্টারনেট জগতটা কেও চেঞ্জ করে দিতে পারে এ বিষয়ে কোনো সন্ধেও নেই।

বর্তমানে আমরা সবাই ওয়াইফাই ৫ বা ৮০২.১১ এ সি ছেড়ে ওয়াইফাই ৬ বা ৮০২.১১ এ এক্স ব্যাবহার শুরু করেছি। যার কারনে আমাদের ইন্টারনেট ব্রাউজিং স্পীড আগের চেয়ে অনেক বেশি ফাস্ট। এখন আপনার প্রশ্ন থাকতে পারে যে ওয়াইফাই ৫ হোক বা ওয়াইফাই ৬ এতে আমার ল্যাপটপ নেয়ার সাথে সম্পর্ক কি!

ধরেন আপনার অফিসের কিছু ফাইল আপনাকে আপলোড করতে হবে যেখানে ওয়াইফাই ৫ এ
লাগে ১০ মিনিট সেখানে ওয়াইফাই ৬ এ আপনি কাজটা ৪ মিনিট এ শেষ করতে পারছেন। আর আপনি যদি ক্যাবলে বা আরজে ৪৫ ক্যাবল দিয়ে ইউস করে থাকেন, তাহলেও দেখে নিবনে যেন আপনার অনবোর্ড
নেটওয়ার্ক কন্ট্রলার যেন গিগাবিট হয়।

৭. ল্যাপটপ আপগ্রেড করা যাবে কি নাঃ

আপনি একটা ল্যাপটপ নিলেন ৪ জিবি র‍্যাম আর ৫০০ জিবি হার্ডডিস্ক এর। ২ বছর পর দেখা গেল আপনার আরও ৫০০ জিবি স্টোরেজ আর এক্সট্রা ৪ জিবি র‍্যাম দরকার। কিন্তু আপনার ল্যাপটপ এ র‍্যাম স্লট আছে একটা।

দেখা গেল আপনার র‍্যাম ল্যাপটপ এর মাদারবোর্ড এর সাথে লাগানো যা খুলার কোনো উপায় নেই। আর স্টোরেজ এর ক্ষেত্রে দেখা গেল আপনি একটা ২৫০ জিবি এস এস ডি লাগাতে চাচ্ছেন। কিন্তু আপনার এক্সট্রা কোনো কানেক্টার নেই মাদারবোর্ড এ।

৮. ওয়েবক্যাম, সাউন্ড ও মাইক্রোফোনঃ

আমাদের সবারই ফ্রী টাইম এ অভ্যাস থাকে মুভি দেখার বা গান শুনার। কিন্তু অনেক সময় এ আনন্দ আর আনন্দ থাকে না। একটা মুভি প্লে করলেন আর দেখা গেল আপনার ল্যাপটপ থেকে আপনার রুম এর ফ্যান এর আওাজ বেশি।

এরপর আপনার একটা ইম্পরট্যান্ট কল আসবে আপনাকে অডিও এবং ভিডিও তে দেখা যাইতে হবে।ভিডিও কল শুরু হওয়ার পর না অপর পাশে আপনাকে দেখা যাচ্ছে, নাতো আপনাকে শুনা যাচ্ছে।তাই চেষ্টা করবেন এই সব বিসয় মাথায় রাখার।

৯. ব্যাকলিট কিবোর্ড ও ব্রাইটনেসঃ


ধরুন আপনি ভার্সিটির ক্যাম্পাসে বসে আছেন আপনার ল্যাপটপ নিয়ে, আপনার একজন ফ্রেন্ড আসলে একসাথে বসে একটি ফাইল এডিট করবেন।ফ্রেন্ড আসলো, কাজ ও শুরু হল। এইদিকে আপনার পাশে বসা ফ্রেন্ড কিছুই দেখতে পারছে না কম ব্রাটনেস হওয়ার কারনে।

বর্তমানে ব্যাকলিট ছাড়া কীবোর্ড ভাবাই যায় নাহ। সকাল এ ক্লাস এ একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন
করতে হবে, এইদিকে আপনাকে রাতের মধ্যে শেষ করতে হবে। আপনি টেবিল এ বসলেন কাজটা করার জন্ন, কিন্তু মিস টাইপ হচ্ছে খালি।

অতপর আপনার কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আপনাকে রুম এর লাইট জ্বালিয়ে রাখতে হল। এই ধরনের ঝামেলার মধ্যে না পরতে চাইলে আপনার ল্যাপটপ সম্পর্কে এই ধরনের ডিটেইলস যেনে নিবেন।

১০. ল্যাপটপ এর র‍্যামঃ

র‍্যাম এর বিষয়টা আশা করি বুঝে গিয়েছেন। কতটুকু র‍্যাম লাগবে তা সম্পূর্ণ ভাবে আপনার উপর ডিপেন্ড করে, তবে রেম এর স্পীড জেনারেশন দেখে নিবেন, বাস স্পীড যতো বেশি হবে আপনার ল্যাপটপও তত ফাস্ট হবে।

আর বর্তমানে খুব কম ল্যাপটপ এই ডিডিআর৩ রেম দেয়া হয়। বেশীর ভাগই ডিডিআর ৪। ইন্টেল সিস্টেম এ ডুয়াল বা সিঙ্গেল চ্যানেল মেমোরি নিয়ে কোনো
প্রকার প্রবলেম হয় না, কিন্তু এএমডি সিস্টেম এর ক্ষেত্রে দেখা যায় ডুয়াল চ্যানেল রেম হলে আর বেশি স্পীড পাওয়া যায়।

১১. ল্যাপটপ এর ডিসপ্লেঃ

ডিসপ্লে হচ্ছে আপনার ল্যাপটপ এর একটি মূল আকর্ষণ বলতে পারেন। যেখানে আপনাকে তাকিয়ে থাকতে হবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। এই তাকিয়ে থাকা যদি আরামদায়ক না হয় তবে আপনার চেয়ে বড় হতাশ আর কেও হবে না। আপনি যদি গ্রাফিক্স বা ওয়েব ডিজাইন এর কাজ করেন তবে আপনার উচিত হবে একটু বড় ডিসপ্লে দেখে নেওয়া।

আর ডিসপ্লের সাইজের চাইতে বেশি জরুরি যে বিষয় সেটি হলো রেজুলেশন। আপনার ল্যাপটপ এর রেজুলেশন যতো বেশি হবে আপনি ততো এইচডি ডিসপ্লে পাবেন ও এইচডি ভিডিও ও প্লে করতে পারবেন।

১২. ল্যাপটপ এর প্রসেসরঃ

প্রসেসর বা সিপিইউ এর মানে হল সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট। তার মানে বুঝতেই পারছেন আপনার ল্যাপটপ এর সব মূল প্রসেস গুলো এর ভিতর দিয়েই জাবে। আপনি এএমডি নিবেন নাকি ইন্টেল নিবেন এটা সম্পূর্ণ ভাবে আপনার ইচ্ছা। খালি কিছু জিনিস মাথায় রাখবেন।

সিপিইউ এর ম্যাক্স স্পীড কত হওয়ার দরকার আপনার জন্য, কত গুলো থ্রেড হেন্ডেল করতে পারে, কত গুলো কোর হলে আপনার চলবে ইত্যাদি। এছাড়া খেয়াল রাখতে হবে প্রসেসর এর জেনারেশন এর দিকে। সব সময় চেষ্টা করবেন লেটেস্ট জেনারেশন এর ল্যাপটপ কেনার জন্য।

আজকে ল্যাপটপ বায়িং গাইড নিয়ে প্রথম ব্লগ দেয়া হল। আশা করি এখন আপনি অল্প টাকার মধ্যে ভালো মানের বাজেট ল্যাপটপ কিনতে পারবেন। আপনাদের যদি ভাল লেগে থাকে, তাহলে সামনে এরকম পোস্ট আরো দিব। আপনারা যদি ল্যাপটপ ইউস করে থাকেন তাহলে জানাতে পারেন আপনারা কোন ধরনের ল্যাপটপ ব্যাবহার করছেন এবং কি ধরনের সুবিধা পাচ্ছেন।

আমি জানি যে অনেকেই প্রবলেম ফেস করতে পারেন নতুন ল্যাপটপ কিনতে গিয়ে। আশা করছি আমার এই
বায়িং গাইড আপনাদের কাজে দিবে। এরকম অনলাইনে আরও অনেক বায়িং গাইড আছে,প্রয়জনে সেগুলোও দেখে নিতে পারেন। তাহলে আপনার একটা বেসিক ধারণা থাকবে যে আপনি আসলে কোনটি নিবেন এবং কোনটি নিলে আপনার জন্য ভাল হবে।

Share:

2 thoughts on “কম দামের মধ্যে সেরা ৫ টি বাজেট ল্যাপটপ! ল্যাপটপ কিনতে প্রয়োজনীয় পরামর্শ”

Leave a Comment